রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) চলতি ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) মুনাফা বেড়েছে ৩০ দশমিক ১৪ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৪ টাকা ৩৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১১ টাকা ৫ পয়সা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যানুসারে, চলতি ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) বিএসসির ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৯৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ৪৭ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৯৮ টাকা ৪৯ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে বিএসসির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১৬ টাকা ৩৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৬ টাকা ১৫ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১০১ টাকা ৯৭ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করে বিএসসির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১৬ টাকা ১৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৪ টাকা ৮০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৮৬ টাকা ৬৭ পয়সায়।
২০২১-২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে বিএসসি। ২০২০-২১ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে বিএসসি। ২০১৯-২০ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। আগের হিসাব বছরেও ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয় তারা। ২০১৭-১৮ ও ২০১৬-১৭ হিসাব বছরে যথাক্রমে ৬ ও ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।
১৯৭৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৫২ কোটি ৫৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৯৩৮ কোটি ৬ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৫ কোটি ২৫ লাখ ৩৫ হাজার ৪০। এর মধ্যে ৫২ দশমিক ১০ শতাংশ রয়েছে সরকারের হাতে। এছাড়া ২১ দশমিক ৩৪ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও বাকি ২৬ দশমিক ৫৬ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।
ডিএসইতে গতকাল বিএসসির শেয়ারের সর্বশেষ ও সমাপনী দর ছিল ৯০ টাকা ২০ পয়সা। গত এক বছরে শেয়ারটির দর ৫৩ টাকা ১০ থেকে ১১১ টাকা ৭০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করেছে।